সম্পাদকীয়
   প্রচ্ছদ-কাহিনী
   আইন-আদালত
   তথ্যানুসন্ধান
   ফলোআপ
   নারী
   আন্তর্জাতিক
   মতবিনিময়

যোগাযোগ
সম্পাদক, বুলেটিন
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)

৭/১৭, ব্লক-বি, লালমাটিয়া
ঢাকা-১০০০

ইমেইল-
ask@citechco.net,
            publication@askbd.org

আন্তর্জাতিক

শ্রীলঙ্কায় তামিল বিদ্রোহ প্রভাকরণের মৃত্য

মিজান মল্লিক

১৮ মে ২০ লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) প্রতিষ্ঠাতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহীদের সমূলে বিনাশ করা হয়েছে বলে দাবি করছে শ্রীলঙ্কান সরকার। বলছে- শ্রীলংকার ২৬ বছর স্থায়ী গৃহযুদ্ধের অবসান হয়েছে। পাওয়া গেছে চূড়ান্ত বিজয়। তামিল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী জয়লাভ করেছে। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসে জর্ডানে জি-১১ সম্মেলনে থাকাকালেই এ যুদ্ধাবসানের ঘোষণা দেন। ১৭ মে দেশে ফেরার পর তাকে বিমানবন্দরে বীরোচিত সংবর্ধনা দেয়া হয়। এলটিটির বিরুদ্ধে বিজয়ে দেশজুড়ে বাজি পুড়িয়ে আনন্দ প্রকাশ করা হয়।

এ বছরের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা সরকার তামিলদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করে। গত পাঁচ মাস ধরে সিংহলি প্রাধান্যপুষ্ট সরকার ও তার সেনাবাহিনী এবং তামিলদের সংগঠন এলটিটিইর মধ্যে যুদ্ধ চলছিল। যুদ্ধের সময় শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী স্বাধীনতাকামী তামিলদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা জাফনা উপদ্বীপের যাতায়াতের সমুদ্র, সড়ক ও রেলপথ বন্ধ করে দেয়। শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীকে এই যুদ্ধে অর্থ, অস্ত্র, সামরিক উপকরণ ও প্রশিক্ষণ যুগিয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন ও রাশিয়া। লিবিয়া ও ইরান অর্থ সাহায্য, সামরিক প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা করেছে।

শ্রীলঙ্কার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিরাট এলাকাজুড়ে এ লড়াইয়ে বিপুলসংখ্যক লোক হতাহত হওয়া ছাড়াও লাখ লাখ নিরপরাধ ও অসহায় মানুষের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট, দুর্ভোগ। লিবারেশন টাইগারস অব তামিল ইলম (এলটিটিই) বিদ্রোহীদের দমনে সরকারের চূড়ান্ত সেনা অভিযানে বলি হতে হয়েছে হাজার হাজার বেসামরিক তামিলদের।

চারপাশে কাঁটাতারে ঘেরাও করা আশ্রয় শিবিরগুলোতে চলছে স্বজনের জন্য মাতম। যুদ্ধে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া প্রিয়জনকে খুঁজছেন উদ্বাস্তুরা। তারা ক্ষুধাকাতর, শোকে পাথর প্রায়। তবু আশা- যদি বেঁচে থেকে থাকে কোথাও তাদেরই প্রিয়মুখ। আবার যদি দেখা হয়। কাঁটাতারের বাইরে তারা কবে যাবে?

সরকারি আশ্রয় শিবিরগুলোতে বিদেশি ত্রাণকর্মীদের ঢোকার অনুমতি দেয়া হয়নি। তামিলদের বাড়ি ফেরারও কোনো সুযোগ নেই। এই আশ্রয় শিবিরগুলোতে খাদ্য, পানি ও ওষুধের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থাও যথেষ্ট নয়। আশ্রয় শিবিরের মানুষদের যাপন করতে হচ্ছে মানবেতর জীবন।

গোড়ার কথা: প্রায় দুই কোটি লোকের দেশ শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কায় মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭৩ দশমিক ৮ ভাগ অধিবাসীই সিংহলি। তারা অধিকাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এর পরের অবস্থান তামিলদের, তারা মোট জনসংখ্যার ১৩ দশমিক ৯ ভাগ। তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তাদের বাস দ্বীপ রাষ্ট্রটির উত্তরাঞ্চলে। রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার সিংহ ভাগ পায় সিংহলিরা আর তামিলরা শিকার হয় বঞ্চনার। এই বঞ্চনার ইতিহাস শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনের মধ্য দিয়ে। শ্রীলঙ্কায় সিংহলি এবং তামিলরা দুই স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে দুই পৃথক এলাকা শাসন করতো। প্রথমে পর্তুগিজ এবং পরে ওলন্দাজরা শ্রীলঙ্কাকে উপনিবেশে পরিণত করলেও তারা সিংহলি এবং তামিলদের আলাদাভাবে শাসন করেছে। ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের পর ১৮৩৩ সালে তারা প্রশাসনিক কারণে শ্রীলঙ্কার সব জাতিকে একই শাসনের অধীনে আনে। ১৮৪৮ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হলে সংখ্যাগুরু সিংহলিদের হাতে ব্রিটিশরা ক্ষমতা দিয়ে যায়।

প্রথম প্রেসিডেন্ট সলোমন বন্দরনায়েক সিংহলি ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেন। সে বছরের নাগরিকত্ব আইন সবকিছু ওলটপালট করে দেয়। এ আইনের বদৌলতে তাদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। জারি করা হয়, শ্রীলঙ্কার নাগরিক হতে হলে তার বাবার বাবাকে এই ভূখণ্ডের আদি বাসিন্দা হতে হবে। ফলে অনেক তামিল নাগরিকত্ব হারায়। বৌদ্ধধর্মকে ঘোষণা করা হয় রাষ্ট্রধর্ম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান চালু করা হয় সিংহলি ভাষায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালানো কঠিন হয়ে পড়ে তামিলদের জন্য। চাকরি পাওয়ার দ্বার যায় রুদ্ধ হয়ে। তামিলরা লাঞ্ছনার শিকার হয়। ক্ষোভ দানা বাঁধে। ১৯৫৬ সালে তামিলরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সে বিক্ষোভ কঠোর হাতে দমন করে সরকার। নিহত হয় ১০০ তামিল। বঞ্চিত তামিলরা আরো সংঘবদ্ধ হতে থাকে পদে পদে অপমানিত, নিপীড়িত তামিলদের প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৭৬ সালের ৫ মে আত্মপ্রকাশ করে এলটিটিই। মনোগ্রামে বাঘের ছবি আর দলের সদস্যদের ডোরাকাটা পোশাক টাইগার বলেই পরিচিতি এনে দেয় তাদের। দেশের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলে তামিল অধ্যুষিত এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে দলটি। পরের বছর নির্বাচনে ওই অঞ্চলের সব আসনেই বিজয়ী হয়ে সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় তারা। এক পর্যায়ে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ ধরে। শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরে পৃথক রাষ্ট্রের দাবিতে তারা সেই ১৯৮৩ সাল থেকে লড়ছে। তাদের বাহিনী হলো এলটিটিই। ১৯৮৩ সালে তাদের হামলায় মারা যায় ১৩ সৈন্য।

এলটিটিইর সঙ্গে পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হলে শ্রীলঙ্কা সরকার ভারতের সহায়তা চায়। রাজীব গান্ধী সরকারের সঙ্গে করা কলম্বোর এক চুক্তির অধীনে ১৯৮৪ সালে ভারতের সৈন্য যায় শ্রীলঙ্কায়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ১৯৯০ সালে ভারতীয় সৈন্যরা শ্রীলঙ্কা ছাড়ে। সে বছর বিদ্রোহীরা উত্তরাঞ্চল থেকে হাজার হাজার মুসলিমকে বের করে দেয়। জাফনা ঘিরে বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। পরে দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৯৯১ সালে ভারতের তামিলনাড়ূতে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে হত্যা করে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে। ১৯৯৩ সালে আরেক হামলায় খুন হন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রানাসিঙ্গে প্রেমাদাসা।

১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী হন। মাঝে ছেদ ঘটলেও ২০০২ সালে নরওয়ের মধ্যস্থতায় আলোচনায় ফেরে এলটিটিই। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে সরকার-বিদ্রোহী উভয় পক্ষই। তবে ২০০৩ সালে শান্তি প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় এলটিটিই।

২০০৫ সালে মাহিন্দ রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট হলেন। কট্টর সিংহলি এই নেতা এলটিটিইকে সমূলে উৎখাতের ঘোষণা দিয়ে সামরিক অভিযানে নামেন। শুরু হয় চূড়ান্ত যুদ্ধ।

প্রায় তিন দশকের লড়াইয়ে একটি বিশাল এলাকায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল এলটিটিই। পৃথিবীর একমাত্র সুশৃঙ্খল এই গেরিলা বাহিনীর ছিল নিজস্ব নৌ, সেনা ও বিমানবাহিনী। দেশের এক-চতুর্থাংশ ভূখণ্ড ছিল তামিল গেরিলাদের দখলে। এলটিটিই এই অর্জনের নেপথ্যে ছিলেন ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ। এলটিটিইর প্রতিষ্ঠাতা। যাকে সমর্থকরা বলতেন ‘সূর্যদেব’ বলে। ৫৪ বছর বয়সী প্রভাকরণ ১৮ মে সৈন্যদের গুলিতে নিহত হন।

গণহত্যার অভিযোগ: শ্রীলঙ্কার সরকার ও সেনাবাহিনীর এলটিটিইর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীরা যুদ্ধাপরাধ করেছে কি-না তা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কায় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সামপ্রতিক যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে ঘটনা ঘটেছে সে সম্পর্কে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ (সূত্র- এএফপি ২৭ মে)।

জাতিসংঘের হিসাব মতে, সৈন্য-বিদ্রোহীর এ যুদ্ধে অন্তত ছয় সহস্রাধিক তামিল নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে অধিকসংখ্যক। দ্য টাইমস পত্রিকার এক প্রতিবেদনে ২৯ মে বলা হয়েছে, নিহতদের এ সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। সেনা-বিদ্রোহী এ যুদ্ধে আহত হয়েছেন আরো কয়েক হাজার। উদ্বাস্তু শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় তিন লাখ। সরকার এই শিবিরগুলোর নাম দিয়েছেন ওয়েলফেয়ার ভিলেজ বা কল্যাণ গ্রাম। মানবাধিকার কর্মীদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, সরকার ঘোষিত এই ‘কল্যাণ গ্রামগুলো’ কি তামিলদের জন্য কল্যাণকর, না কারাগার কিংবা নির্যাতনশালা?

তথ্যসূত্র:
১. বিবিসি, এএফপি, সিএনএন অনলাইন
২. শ্রীলঙ্কা, ‘হে যুদ্ধ বিদায়’! এনামুল হক, ২২ মে ২০০৯, জনকণ্ঠ

 

 

‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’ বাতিলের দাবিতে সোচ্চার ভারতের মনিপুরি নারীরা

“যথেষ্ট হয়েছে। যদি ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’ বাতিল করা না হয়, তাহলে আমরা ভোট দেব না”- ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগে এ কথা বলছিলেন ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ইমা কে. তারুণী। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরের বিদ্যমান সমস্যা এবং এ অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তাহীন জীবনের জন্য অনেকাংশেই দায়ি ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’-এর মতো একটি আইন। কারণ এই আইনের মাধ্যমেই ৫৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় সেনাসদস্যকে তাদের কৃত অপরাধ থেকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। এজন্য এই আইন বাতিল করতে আন্দোলনে নেমেছেন ওখানকার নারীরা।

২০০৪ সালের ৩ জুলাই ১২ জন নারীর কাংলা দুর্গের সামনে ভিন্ন ধরণের এক প্রতিবাদে অংশ নেন। কাংলা দুর্গ হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর দখলে থাকা ইমফল-এর একটি এলাকা। নারীদের হাতে ধরা ব্যানারে লেখা ছিল “Indian army, rape me”। তাদের এ প্রতিবাদের রেশ ছড়িয়ে পড়ে সারা পৃথিবীতে। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মনোরামা নামের একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী কর্মীকে গ্রেফতার ও খুন করলে এই নগ্ন প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়ে ওঠে। মনোরামার ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা আর চুপ করে থাকতে পারেন নি। বরং তারা অনুভব করেন, সম্মান ও মর্যাদা ছাড়া বেঁচে থাকার কোনো অর্থ নেই। ২০০৪ সালের সেই অভিনব আন্দোলনে অংশ নেয়া ইমা নানবি বলেন, “আমরা খোলাখুলিভাবে বলতে চাই- ‘আস, আমাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন কর, আমাদের ধর্ষণ কর আর আমাদের রক্তমাংস নিয়ে যাও। এভাবে বেঁচে থাকা অসম্ভব। আমরা আমাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা এবং ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’-এর মতো কালো আইন বাতিলের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।”
তাদের এই প্রতিবাদের ফলস্বরূপ ১১৩ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ নভেম্বর কাংলা দুর্গ বেসামরিক লোকদের জন্য খুলে দেয়া হয়। ঐ বছরই দিল্লিতে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ঘোষণা দেয় যে, অচিরেই ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’ বাতিল করা হবে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইমফলের পৌরসীমা ঐ আইনের আওতা বর্হিভুত করা হয়। কিন্তু রাজ্যের বাকি অংশে ঐ আইনটি এখনও প্রচলিত আছে। আইনটি বাতিলের দাবিতে মানবাধিকারকর্মী ইরম শর্মিলার প্রায় ৮ বছরের অনশন সত্ত্বেও এখনও বহাল-তবিয়তেই আছে ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’। কিন্তু শর্মিলা তার অবস্থান থেকে কখনোই সরে দাঁড়াননি এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়াবেন না।

সূত্র: কল্পনা শর্মা: sharma.kalpana@yahoo.com