সম্পাদকীয়
   প্রচ্ছদ-কাহিনী
   মুক্তিযুদ্ধ
   আইন-আদালত
   মত-অভিমত
   আন্তর্জাতিক
   তথ্যানুসন্ধান

 

যোগাযোগ

সম্পাদক, বুলেটিন
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)
৭/১৭ ব্লক-বি, লালমাটিয়া
ঢাকা-১২০৭
ইমেইল-
ask@citechco.net,
publication@askbd.org

   
   
   
   

... .      
           

মত-অভিমত

শান্তিচুক্তি ও সেনা প্রত্যাহার

 

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের নিমিত্তে ৩০ জুলাই ২০০৯ সরকার কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে আংশিক সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি প্রকাশিত হয়। ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ১২ বছরের ইতিহাসে এটিকে সর্ববৃহৎ সেনা প্রত্যাহার বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। এই প্রত্যাহারটি কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফায় একটি সম্পূর্ণ পদাতিক বাহিনীসহ সর্বমোট ৩৫টি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হবে এবং তা সেপ্টেম্বর ২০০৯-এর মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের এ সিদ্ধান্ত-টিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম সমপ্রদায়ের লোকজন স্বাগত জানালেও সেখানকার অধিবাসী বাঙালিরা তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে শঙ্কা প্রকাশ করেছে। সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা সুধা সিন্ধু খীসা বলেছেন, সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত ছিল। সেই সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মদের নিরাপত্তার দাবিতে তিনি সরকারকে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণ’ নামক কার্যক্রমটি বন্ধ করারও অনুরোধ জানান।

ইউপিডিএফ (ইউনাইটেড পিপল’স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) নেত্রী রীনা দেওয়ান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তকে তখনই স্বাগত জানানো উচিত যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করা হবে এবং জুম্মরা পরিপূর্ণভাবে সত্যিকার স্বাধীনতা পাবে।

অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপনকারী বাঙালি অধিবাসীরা সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এতে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপনকারী বাঙালি অধিবাসীরা সেনা প্রত্যাহার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়। বাঙালিদের ওপর বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতার ঘটনা পরবর্তীকালে খবরে প্রকাশিত হয়েছে। হাইকোর্টেও সেনা প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দুটি আবেদন দাখিল করা হয়েছে। আপিলকারী দু’জন হচ্ছেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম এবং বদিউজ্জামান। তাদের বক্তব্য ছিল, সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হলে সেখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে। শুনানি শেষে দু’জন বিচারপতির সমন্বিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আবেদন দুটি খারিজ করে দেন [২০ আগস্ট ২০০৯]।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে গড়ে ওঠা বিদ্রোহকে (অথবা শান্তিবাহিনীর সশস্ত্র সংগ্রাম) দমন করার জন্য সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হয়। কিন্তু বিদ্রোহ দমনের জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও আপাতদৃষ্টিতে এ প্রচেষ্টার সাফল্য পরিলক্ষিত হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম অধিবাসীরা বরঞ্চ সেনাবাহিনীর তৎপরতায় অধিকমাত্রায় স্বতন্ত্রপন্থি হয়ে ওঠে। সেনাবাহিনীর তৎপরতা যদিও শান্তিবাহিনীর কার্যক্রমকে কমিয়ে আনে কিন্তু অন্যদিকে জুম্ম সমপ্রদায়ের জনমনে প্রচণ্ড অসন্তোষ সৃষ্টি করে। বিভিন্ন ধরনের নৈরাজ্যের খবর পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে।

১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া নিয়ে জুম্ম জাতি যদিও-বা আশার আলো দেখতে পেয়েছিল, তথাপি পরবর্তীকালে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের আর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায় না। তাই দীর্ঘ ১২ বছর পর সরকারের সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও যেমন আশার আলো দেখা দিয়েছে, তেমনি এ ঘোষণাকে ঘিরে বিরোধিতামূলক কার্যক্রমে জুম্ম জাতির মধ্যে আশঙ্কাও সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৯৭১-এর তৎপরতাকে ঘিরে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদিন পত্রপত্রিকায় এ বিষয়ে ঝড় উঠছে অথচ এদেশের এক কোণে আরেকটি জাতি কাগজে-কলমে মুক্তিলাভ করেও মুক্তির অপেক্ষায় দিন গুনে যাচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে- সেনা প্রত্যাহারের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপনকারী বাঙালিদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া নিয়ে, শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। কিন্তু ওখানে সেনাবাহিনী পাঠানোই হয় বিদ্রোহ দমনের জন্য, যুদ্ধের জন্য; যুদ্ধশেষে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য নয়। শান্তিচুক্তি মানেই যুদ্ধ কিংবা বিদ্রোহের অবসান হয়েছে। শান্তিচুক্তির পরেও বিদ্রোহ দমনের নিমিত্তে সেনাবাহিনীর তৎপরতা বজায় রাখার অর্থই হচ্ছে, এ চুক্তিকে স্বীকৃতি না দেয়া। জুম্ম ও বাঙালিদের দীর্ঘদিনের পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়েছে। সত্যিকারের শান্তিচুক্তি তখনই হতে পারে, যখন পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতি বিশ্বাস করবে যে, তাদের জীবন ও ভবিষ্যতের ওপর তাদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। শান্তিচুক্তিকে ঘিরে গড়ে ওঠা প্রত্যাশা এবং সমস্যাগুলো অবহেলা করা হলে সেটি সত্যিই একটি ঐতিহাসিক ভুল হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিচুক্তি সঙ্গত কারণেই জুম্ম সমপ্রদায়ের অধিকার সংরক্ষণকারী। সারা পৃথিবীতেই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণে এ নীতি অনুসরিত হচ্ছে যা ভীষণভাবে উপযুক্ত ও অবশ্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু শান্তিচুক্তির ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ওখানকার বাঙালিদের অসন্তোষ ক্রমান্বয়ে সঞ্চারিত হতে পারে সাম্পদায়িক তীব্র আক্রোশভিত্তিক মানসিকতায়। আর এই মানসিকতাকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার লোকের অভাব আমাদের দেশে কখনোই হবে না। কুৎসা ও কলহের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততা হয়তোবা সহজ সমাধানের পথটি আলোকিত করছে না। জুম্ম ও বাঙালি উভয়পক্ষের সমস্যার মূল- জীবিকা ও উপার্জনের পরিবেশকে ঘিরে, যেটি পরবর্তীকালে প্রসার লাভ করেছে জাতিগত পরিচিতির লড়াইয়ে। যেখানে জীবিকা উপার্জন এবং জীবনের নিরাপত্তাই মানুষের একমাত্র চাওয়া, সেখানে দরকার সুযোগ ও উপযুক্ত পরিবেশ, জ্বালাময়ী বক্তৃতা নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের নির্বাচনী ফলাফলে এটাই স্পষ্ট হয় যে, সেখানকার অধিকাংশ জনগণ জাতিভিত্তিক রাজনীতিতে আস্থা রাখে না। কেননা ভোটপ্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জাতিগত দলের অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম ও বসতি স্থাপনকারী বাঙালির মধ্যে সংঘর্ষের ইতিহাস পরিলক্ষিত হয়নি।

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে নির্বাচিত সরকার অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। তাই আশা করা যায়, গড়ে ওঠা এ গণআস্থার যথাযথ সম্মান সরকার অবশ্যই দেবেন।য়

ঈষিতা দে
মানবাধিকার কর্মী

 

এডিআর এবং নারী অধিকার

বাংলাদেশে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থা প্রধানত ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। সে সময়ও সালিশের গুরুত্ব ছিল এখনও আছে। এমনকি ঔপনিবেশিক আমলে তৈরি হওয়া আধুনিক কোর্টের ধারণাও স্থানীয় এই সালিশ-ব্যবস্থা থেকে এসেছে। তাই রাষ্ট্রীয় আইনের বাইরে সালিশকে এখনো বিকল্প বিরোধ সমাধানের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন অনেকেই। কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু সালিশের বিচার পদ্ধতি এবং এর রায় প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে। এই সালিশ হয়ে উঠছে ক্ষমতার ক্ষেত্র। এর ফলে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারী, কখনো কখনো পুরুষ।

এডিআর বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইন
প্রথাগত বা প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার পরিবর্তে স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে পক্ষগণ কর্তৃক আদালতের বাইরে বা আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াই Alternative Dispute Resolution (ADR) নামে পরিচিত। বিধিবদ্ধ আকারে বিরোধ নিষ্পত্তির এরূপ বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক, ৮৯খ ও ৮৯গ ধারায়, অর্থঋণ আদালতে আইনের পঞ্চম অধ্যায়ে, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশসহ কতিপয় আইনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু ফৌজদারি কার্যবিধির বিচার ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত অনুরূপ বিধান চালু করা হয়নি। তবে ১৮৯৮ সালে গৃহীত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় সীমিত আকারে অনুরূপ আপোস মীমাংসার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়াও ২০০৪ সালে গৃহীত বিরোধ-মীমাংসা (পৌর এলাকা) বোর্ড আইন এবং ২০০৬ সালে প্রণীত গ্রাম আদালত আইনে দেওয়ানি মামলার পাশাপাশি কতিপয় ফৌজদারি মামলা স্থানীয় পর্যায়ে আপোস মীমাংসার বা নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে।

সালিশে নারীর অবস্থান
দেওয়ানি মোকদ্দমার সালিশের ক্ষেত্রে সাধারণত আদালত হস্তক্ষেপ করে। দুই পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তাদের মধ্যে সমঝোতা করে কোনো নিরপেক্ষ ব্যক্তি বা বিচারক বা একজন অ্যাডভোকেট, যিনি এই মামলার সাথে সম্পর্কিত নন। অর্থাৎ এমন একজন যার আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পর্যাপ্ত জ্ঞান রয়েছে। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ২০০১-এর অধীন সালিশ প্রক্রিয়ার স্কুল শিক্ষক, মসজিদের ঈমাম এবং এলাকার প্রভাবশালীরা এই সালিশ কমিটির সদস্য হয়ে থাকেন। সালিশের বিরোধিতা করা এই লেখার উদ্দেশ্য নয় বরং এর রায়ের দিকে আলোকপাত করাই মূল লক্ষ্য। তবু বলতে হচ্ছে বর্তমান সালিশের বিচার খুব কমই ক্ষমতাহীনের পক্ষে যায়।

গত এক বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সালিশের মাধ্যমে ৫০-এর অধিক পরিবার গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়েছে, ২৭টি পরিবারকে একঘরে করা হয়েছে, ৪০ জন নারীকে প্রহার করা হয়েছে। দোর্‌রা মারা ছাড়াও দু’জন নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে। বখাটেদের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে একটি মেয়ের অভিভাবক যখন সালিশে নালিশ করে, তখন তা বখাটেদের পক্ষে যায় (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২২ জুলাই, নারীমঞ্চ), ধর্ষিত হওয়ার পর ধর্ষণের রায় ধর্ষণকারীর পক্ষে যায়, এমনকি তাকে সালিশেও উপস্থিত করা হয় না (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ৮ জুন ২০০৯), ধর্ষিতাকে সালিশে দোর্‌রা মারা হয় ইত্যাদি। যেখানে ধর্ষণের বিচারের জন্য আলাদাভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা আছে এবং সালিশের কার্যক্রম হচ্ছে ন্যায়বিচারমূলক সমঝোতা, সেখানে কোনোক্রমেই শাস্তি প্রয়োগ করা মেনে নেয়া যায় না। এটা প্রচলিত আইন এবং মানবাধিকার বিরোধী। সালিশের এই ধরনের রায়ের পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা যায়। যেমন, সালিশে নারী বিচারকের উপস্থিতি নেই বললেই চলে; যারা বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে, তারা প্রচলিত আইন সম্পর্কে অনভিজ্ঞ; ইচ্ছা করে, সমাজপতিদের প্ররোচনায় বা রাজনৈতিক মনোভাবে রায় প্রদান করে।

সুতরাং উপরিউক্ত পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সালিশে নারী বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সালিশের রায় যাতে কোনো ধরনের মানবাধিকার বা প্রচলিত আইনের বিপক্ষে না যায় সেদিকে দৃষ্টিপাত করে সরকারের উদ্যোগে একটি মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। যেসব সালিশকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে রায় দেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সর্বোপরি সালিশের মাধ্যমে নারীর অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং সালিশ সম্পর্কিত বিষয় গণমাধ্যমে বেশি করে প্রচার করে জনসাধারণকে অবহিত করা অতীব জরুরি।য়

মুনমুন সাহা
আইন ও বিচার বিভাগ
৩য় বর্ষ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী