Bulletin_September_2012
   সম্পাদকীয়
   প্রচ্ছদ-কাহিনী
   প্রতিবেদন
   সাক্ষাৎকার
   আইন-আদালত
   যুদ্ধাপরাধ
   আন্তর্জাতিক
   পাঠক পাতা
   মত বিনিময়
   সংগঠন বার্তা
 

যোগাযোগ

সম্পাদক, বুলেটিন
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)
৭/১৭ ব্লক-বি, লালমাটিয়া
ঢাকা-১২০৭
ইমেইল-
ask@citechco.net,
publication@askbd.org

   
   
   
   

... .      
           

সম্পাদকীয়

 

আমাদের এবারের প্রচ্ছদ কাহিনী ‘মিয়ানমারের গণতন্ত্র ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী’। লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-এর অর্থনীতির প্রভাষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতু। দীর্ঘদিন থেকেই রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিজ বাসভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। সর্বশেষ গত ১০ জুন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে শুরু হয় রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংস আক্রমণ। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে, শিশুদের হত্যা করে, মেয়েদের ধর্ষণ করে শুরু হয় এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ। এটি যে রাখাইন-রোহিঙ্গাদের মধ্যকার সাদামাটা দাঙ্গা ছিল না, মিয়ানমার রাষ্ট্রের মদদে সংঘটিত গণহত্যা- এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে রচনাটিতে। তাছাড়া আলোচনা করা হয়েছে এক্ষেত্রে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের নমনীয় মনোভাবের কারণসহ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়দানে বাংলাদেশের অবস্থান।

গুপ্তহত্যা, অপহরণ, ক্রসফায়ার আমাদের নিত্যদিনের ঘটনা। তার মধ্যে দিনে দিনে দীর্ঘ হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া মানুষের তালিকা। কাউকে কাউকে ব্যস্ত রাজপথ থেকে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে অপহরণকারীদের বাহন ছিল কালো কাচ-ঢাকা সাদা মাইক্রোবাস। এ গাড়িগুলো কোথা থেকে আসে, কোথায় চলে যায় কেউ জানে না। মাসের পর মাস যায়, নিখোঁজ ব্যক্তির তালাশে পথে পথে ঘোরেন স্বজনেরা। কারো কারো লাশ মিললেও গুপ্তহত্যার কোনো সুরাহা হয় না। ধরা পড়ে না খুনি। এর মধ্যে রহস্যময় গাড়ির আনাগোনাও চলতে থাকে। এ রক্ত হিম করা ঘটনা কোনো গণতান্ত্রিক দেশে চলতে পারে না। অথচ বাস্তবে তাই হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ রকম নির্বিচার গুম, গুপ্তহত্যা অব্যাহত থাকা বা এসবের বিচার না হওয়ার দায় কি রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারবেন?

সমপ্রতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি বিল ২০০৩’-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে রুল নিশি জারি করে দুটি বিষয় সমপর্কে জানতে চেয়েছেন। প্রথমত, কেন এই আইনটি অবৈধ হবে না এবং দ্বিতীয়ত, অপারেশন ক্লিনহার্টের সময় নির্যাতিত ব্যক্তিদের ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না। উল্লেখ্য, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৩, তৎকালীন সরকার এই ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি বিল ২০০৩’ পাস করে। পাসকৃত বিলটির সুবাদে ১৬ অক্টোবর ২০০২ থেকে ৯ জানুয়ারি ২০০৩ পর্যন্ত দেশে ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-এর অধীনে পরিচালিত যৌথ অভিযানে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্য, পুলিশ, বিডিআর ও সরকারের কোনো সদস্যের কৃতকর্মের জন্য বেসামরিক আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা তাদের বিচার করা যাবে না। এর প্রায় এক যুগ পর সুপ্রিম কোর্টের জারিকৃত এ রুল- আইনের মাধ্যমে দায়মুক্তি প্রদানের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়াস নিঃসন্দেহে। বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বুলেটিনের আইন-আদালত পর্বে।

গত সংখ্যার বুলেটিনের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ রিচার্ড রজার্সের ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনাল’ শীর্ষক রচনার প্রথম পর্ব ছাপা হয়েছিল। এবার প্রকাশিত হচ্ছে রচনার বাকি অংশ। এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মি. রজার্সের পঠিত বক্তব্য, যা ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করে এখানে পত্রস্থ করা হয়েছে।

উপদেষ্টা সম্পাদক: হামিদা হোসেন, সুলতানা কামাল, এডভোকেট ইদ্রিসুর রহমান, মোঃ নূর খান
সম্পাদক: শাহীন আখতার, আইনগত সম্পাদনা: আবু ওবায়দুর রহমান য় প্রকাশনা সহযোগী: কানিজ খাদিজা সুরভী, মাবরুক মোহাম্মদ * প্রচ্ছদ: মনন মোর্শেদ, অঙ্গসজ্জা: অনিল চন্দ্র মন্ডল, হেলাল উদ্দিন সোহান * কম্পিউটার কম্পোজ: মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, রিজওয়ানুল হক, ফটোগ্রাফ: আসক, প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ইন্টারনেট
মুদ্রক: সাহিত্য প্রকাশ