|
|
পরিবেশ
অপরিকল্পিত জাহাজভাঙা শিল্প ও পরিবেশ দূষণ
তাবাসসুম মখ্দুমা
মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে প্রকৃতি আজ হুমকির মুখে। প্রকৃতির এ বিপর্যয় এর অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রয়োজনের তুলনায় কম বৃক্ষ সম্পদ থাকা, অনিয়ন্ত্রিত বৃক্ষ নিধন,ভূমির ব্যবহার পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়নও শিল্পায়ন অন্যতম। আর অপরিকল্পিত শিল্পায়নের ফলস্বরূপ ভয়াবহ রকমের পরিবেশ দূষণে অগ্রণীর ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্প। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, জাহাজভাঙা শিল্প আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই ব্যবসা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই খাতে প্রত্যক্ষভাবে আড়াই লাখ দক্ষ/অদক্ষ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস'ানের সুযোগ সৃষ্টিসহ বেকারত্ব দূরীকরণে, দারিদ্র্য/বিমোচনে এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।শুধু এই শিল্প হতে সরকার প্রতি বছর রাজস্ব আদায় করে ৭-৮ শ’ কোটি টাকা। এছাড়া সরকার জাহাজভাঙা কর্মকাণ্ড থেকে রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি ভূমির ইজারামূল্য থেকে বার্ষিক আয় করে থাকে। প্রতি বছর বাংলাদেশে যে পরিমাণ লোহার চাহিদা থাকে তার সিংহভাগ যোগান দেয় জাহাজভাঙা শিল্প। এদেশে আকরিক লৌহখনি না থাকায় জাহাজ ভাঙাকেই ভাসমান লৌহখনি বলা হয়ে থাকে। কারণ এ শিল্পই প্রতি বছর এদেশের প্রায় ২০ লাখ থেকে ২২ লাখ টন লোহার চাহিদার ১৫-১৬ লাখ টন যোগান দেয়। এদেশের ৯০% ইস্পাত ও রি-রোলিং মিল তাদের কাঁচামালের জন্য সম্পূর্ণভাবে এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। জাহাজের স্ক্যাপ মেটেরিয়ালের মধ্যে ইস্পাতের পরিমাণ সর্বাধিক। জাহাজ থেকে প্রাপ্ত ইস্পাত সামগ্রী স'ানীয় ইস্পাত কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে লোহার রড, ইস্পাতের পাত ইত্যাদিতে পরিণত করা হয়। তাছাড়া এদেশের ফার্নিচার শিল্প, নির্মাণ শিল্প, রপ্তানি বাণিজ্য, স্যানিটেশন শিল্পসহ অনেক শিল্প ও ব্যবসা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জাহাজভাঙা শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তবে এ শিল্পের এত উপকারিতা সত্ত্বেও এটি সত্যি যে, যে জাহাজগুলো মুনাফা এবং লাভ বয়ে আনছে একইসাথে বিপুল পরিমাণ দূষিত বর্জ্যও নিয়ে আসে। আর সচেতনতা ও সুপরিকল্পিত ব্যবস'াপনার অভাবে এ কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিবেশকে করছে মারাত্মকভাবে দূষিত।
পরিবেশ বিনষ্টকারী কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিন ধরনের বর্জ্য পদার্থই জাহাজে বিদ্যমান থাকে। আর এসব বর্জ্য পদার্থগুলো জাহাজভাঙার সময় আমাদের পরিবেশের সাথে মিশে গিয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের ঠেলে দিচ্ছে হুমকির পথে। এবার দেখা যাক আমাদের পরিবেশ ও পরিবেশের নানা উপাদানের ওপর এ শিল্পে বিদ্যমান ক্ষতিকর পদার্থের প্রভাব কিরূপ ভয়ঙ্কর: বিভিন্ন উৎস থেকে ক্যাডমিয়াম বাতাস ও পানিতে জমা হয় এবং জৈব সঞ্চায়নের দ্বারা খাদ্যচক্রের মাধ্যমে জলজ প্রাণীর শরীর থেকে পরবর্তীকালে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। ক্যাডমিয়াম জলজ প্রাণীর শরীরে এর প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি জমা হলে তাদের বুদ্ধি বিকৃত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর কারণও হয়। মানুষের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি নষ্ট, রক্তের হিমোগ্লোবিন ধ্বংস এবং পরিশেষে মানুষের মৃত্যু হয়। এছাড়াও ক্যাডমিয়ামের প্রতিক্রিয়ায় মানুষের হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। জাপানে অজানা রোগ ‘ইটাই ইটাই’ আক্রান- হয়ে হাজার হাজার লোক ক্ষতিগ্রস- হয়েছিল ও মারা গিয়েছিল। পরবর্তীকালে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছিল এ রোগ ক্যাডমিয়াম দূষণের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
সীসা পানিতে প্রাথমিক উৎপাদক ফাইপোপ্লাংটনের উৎপাদন হ্রাস করে। কাঁকড়া জাতীয় প্রাণীর ভ্রূণের বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে এমনকি ভ্রূণের মৃত্যুর কারণও হয়। মাছ-পাখিসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীর শরীরেও লেডের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।
মানুষের শরীরে সীসা রক্তের হিমোগ্লোবিনকে ধ্বংস করে। ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়, কিডনি অকার্যকর, স্নায়ুবিক বৈকল্য ও ব্রেইন ড্যামেজ করে থাকে। মার্কারির অতিমাত্রা মানুষের শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ধ্বংস করার পাশাপাশি কোষের ক্রোমোজোমকে ভেঙে ফেলে।
জাহাজে তাপরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয় অ্যাসবেস্টস। বাংলাদেশে যে জাহাজভাঙা হয় সেগুলোতে অ্যাসবেস্টস থাকে। বাংলাদেশে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকা হতে অ্যাসবেস্টস সংগ্রহ করে গুঁড়ো করে পুনরায় বাজারজাত করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অ্যাসবেস্টসের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে। ঘরের ছাদে ও ভেন্টিলেটরে অ্যাসবেস্টস শিটের ব্যবহার জনপ্রিয় হচ্ছে। জাহাজভাঙা এলাকায় অ্যাসবেস্টস ভাঙা হয়। ভাঙার সময় ছোট ছোট আঁশ বাতাসে মিশে যায়। পানিতে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও এটা ভাঙার সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঁশ আকারে বাতাসে ভেসে বেড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে। অতিমাত্রায় অ্যাসবেস্টস গ্রহণের ফলে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমাসহ ফুসফুসের নানাবিধ রোগ সৃষ্টি করে। এমনকি ফুসফুসে ক্যান্সার হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে উন্নত বিশ্বে বর্তমানে অ্যাসবেস্টসের ব্যবহার নিরাপদে ধ্বংস করা হচ্ছে।
তেলের আস-রণ বায়ু এবং সমুদ্রের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বনডাই-অক্সাইডের বিনিময়ে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বায়ু এবং সমুদ্রের উপরিভাগের পানি পরস্পর সংঘর্ষের ফলে বায়ুর অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়। তেলের আবরণের জন্য বায়ুর অক্সিজেন পানিতে প্রয়োজনমতো মিশতে না পারায় অক্সিজেনের অভাবে ঐ অঞ্চলের জলচর প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটে, এমনকি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে পড়ে। আবার সূর্যালোক পানিতে প্রবেশ করতে না পারলে পানির তাপমাত্রা কমে যায়। এর ফলে মাছ তাদের আবাসস'ল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সবুজ কণিকাবাহী ক্ষুদ্র উদ্ভিদ কণা বা ফাইপোপ্লাংটন ও জুপ্লাংকটন মারা যেতে শুরু করে। ফলে মাছসহ সামুদ্রিক জীবজগতের খাদ্যচক্রে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এভাবে উপকূলীয় মৎস্যক্ষেত্র ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। তেল দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস- হয় জলচর পাখিরা। তাদের গায়ে ও পালকে তেল লেগে গেলে ভাসবার, সাঁতরানোর এবং ওড়ার ক্ষমতা হারিয়ে পানিতে ডুবে মারা যায়। তেল দূষণের ফলে বনাঞ্চল বিশেষ করে প্যারাবন অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
ব্যালাস্ট পানি (তেলবাহী তেল খালাসের পর এর পাটাতনে, পাম্পে, নলে এবং ভেতরের তেলধারে জমা তেল) ও বিলজ পানি (জাহাজের তলদেশে প্রশস-তম অংশে (বিলজ) ইঞ্জিনঘর ও যন্ত্রপাতি থেকে চোয়ানো জমা তেল) সাগরে ফেলে দেয়া হয়, যা সাগর দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও জাহাজভাঙা শিল্প প্রতিনিয়ত নানাভাবে আমাদের পরিবেশকে হুমকিগ্রস- করছে। ফলে এ দেশের মাটি, গাছপালা, মৎস্য প্রজাতি, প্রাণিজগৎ তাদের নিজ নিজ স্বকীয়তা হারিয়ে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এবার লক্ষ্য করা যাক এ শিল্প কীভাবে আমাদের পরিবেশের নানা উপাদানের ক্ষতিসাধন করছে।
মৎস্য সম্পদ বাংলাদেশের জিডিপির শতকরা ৫ ভাগের মতো এবং জাতীয় রপ্তানি আয়ের শতকরা ৬ ভাগের মতো যোগান দেয়। সমুদ্র দূষণের কারণে মোহনা এলাকায় এবং সাগরে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস- হয়। এতে মাছের পরিমাণ কমে যায়, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস- হয়। এছাড়া পানির গুণ পরিবর্তিত হলে প্লাঙ্কটন ঠিকমতো জন্মাতে পারে না। মাছ তেলযুক্ত পানি গ্রহণ করলে মাছের শরীরের তন' দাগযুক্ত হয়ে যেতে পারে এবং এ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন চলে।
সমুদ্র দূষণের ফলে ম্যানগ্রোভ বনরাজি, সৈকত এবং মৎস্য সম্পদ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস- হয়। তেল দূষণের কারণে ম্যানগ্রোভ বনরাজির গাছপালার শ্বাস গ্রহণকারী শিকড় তেলের আস-রণে ঢাকা পড়ে। এতে গাছের পাতা ঝরে পড়ে এবং অবশেষে গাছটি মারা যায়। প্রতিকূল পরিবেশে বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত তরুণ গাছ যেগুলোর শিকড় ও শাখা পল্লব অপরিণত সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস- হয়।
১৯৭৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন- ৫ বছর পরপর নেয়া এক স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গেছে, শিপব্রেকিং এলাকায় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে ভূমিক্ষয়ের দৃশ্য। রশি বেঁধে জাহাজগুলোকে তীরে আনার সময়ই বেশি ভূমিক্ষয় হয়। গত তিন দশকের ব্যবধানে উপকূলীয় এলাকার বিশাল অংশ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
জাহাজভাঙা শিল্পের মাটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে ক্ষতিকর ক্রোমিয়াম, মার্কারি, জিংক ও বিষাক্ত ব্লাক অয়েল উলের ব্যাপক উপসি'তি। ফলে মাটির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে আশঙ্কাজনকভাবে।
শিপব্রেকিং শিল্পে পরিবেশগত সঙ্কটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শব্দদূষণ বা কম্পন। প্রতিনিয়ত লোহার প্লেটগুলো কাটা, লোড-আনলোড এবং জাহাজের কাটা অংশ তীরে টেনে আনা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড শব্দদূষণ সৃষ্টি করছে, যা সংশ্লিষ্ট অদিবাসীদের নানাবিধ সমস্যা তৈরি করে।
জাহাজ থেকে নিঃসরিত তেল ও অন্যান্য পদার্থ সমুদ্রের পানিতে পড়ার ফলে জলজ সম্পদের সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া বন্ধ এবং শ্যাওলা ধ্বংস হওয়ার ফলে সমুদ্রে মাছের খাদ্য শৃঙ্খল বাধাগ্রস- হচ্ছে। ফলে বিলীন হওয়ার পথে গাঙচিল, পানকৌড়ি, বক, সারস, রাজহাঁস জাতীয় বিভিন্ন জলচর পাখি। আবার জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত অঞ্চল ধ্বংস হওয়ার ফলে প্যারাবন এবং ম্যানগ্রোভ জন্মানোর পুরো প্রক্রিয়াটিই মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। সে সাথে বেসিক অর্গানিজম (কেঁচো, ঝিনুক, কাঁকড়া, শামুক প্রভৃতি প্রাণী) জোয়ারভাটা প্রভাবিত অঞ্চলে না থাকার কারণে মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। কারণ এসব প্রাণী নিয়েই একটি বাস'সংস'ানিক প্রক্রিয়া গঁড়ে ওঠে। এদের একটির আবাসস'ান ধ্বংস হলে ধীরে ধীরে অপরটিও বিলুপ্ত হয়ে যায়। তাই পূর্বে সৈকতে যে বিভিন্ন ধরনের কাঁকড়া ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী দেখা যেত তা আজ দেখা যায় না।
উন্নত বিশ্বের জাহাজভাঙার জন্য আধুনিক কার্যপ্রণালি, ব্লক প্রণালি এবং হাইটেক কাটিং মেথড চালু রয়েছে এবং এ পদ্ধতিগুলো পরিবেশের জন্য তত হুমকি নয় বলে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে। তথাপিও বাংলাদেশের জাহাজভাঙা কর্মকাণ্ডে জড়িত মালিক শ্রেণী অধিক মুনাফার আশায় সনাতন বিচিং পদ্ধতির মাধ্যমের জাহাজভাঙা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, যা মারাত্মক পরিবেশ দূষণকারী বলে বিবেচিত হতে পারে। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এদেশের অসাধু ব্যবসায়ীদের দেখা যায় কম টাকায় বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থে ভরপুর জাহাজ কিনতে, যেগুলো ভারত, চীন, পাকিস-ানসহ এ শিল্পে যুক্ত অগ্রজ দেশগুলো নিজেদের সীমানে- ঢুকতেই দেয় না। ফলে এসব দেশে জাহাজভাঙা শিল্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা অপেক্ষাকৃত কম হয়। কিন' আমাদের দেশে এ শিল্পে প্রতিনিয়ত ভয়াবহ রকমের দুর্ঘটনা ঘটছে, ক্ষতিগ্রস- হচ্ছে পরিবেশ, মানুষ। এ শিল্পের ফলে বিকশিত হচ্ছে পুঁজিবাদ, কিন' লুণ্ঠিত হচ্ছে মানবাধিকার। এ শিল্পে জড়িত শ্রমিক শ্রেণীর জীবন হয়ে পড়ছে মানবেতর। আমাদের দেশে প্রায় অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়ের জন্য নেই সঠিক নীতিমালা। নেই পর্যাপ্ত আইন। আর যেখানে আইন ও নীতিমালা আছে, সেখানে নেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ। কিন' একটি দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়নের জন্য আইনের চেয়ে আইনের প্রয়োগ অনেক বেশি কঠিন হওয়া প্রয়োজন। জাহাজভাঙা শিল্প আমাদের মতো পিছিয়ে থাকা দেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক তাতে সন্দেহ নেই। কিন' মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং পরিবেশ দূষণ রোধে এই কার্যক্রমের জন্য উপযুক্ত নীতিমালা ও তার যথাযথ প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি।
তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট ও বিভিন্ন প্রকাশনা
|
|